শুক্রবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৬

প্রেমের কবিতা

পাখি
মাহমুদুল হাসান নিজামী
একা পাখি অধীর আখি শুকনো ডালে বসে
হলুদ বরন অর্ধ কায়ায় হলদে ফুলের পাশে
বুক ফাটিয়ে কাকে ডাক মুখ খুলে চিৎকার
এমন কেন করুন ভাবে খুজছো দয়িতার

হলুদ পুষ্প সহবাসে হলদে কায়াতে
ওগো পক্ষি স্বাদ মিঠেনা তবু তবতে ?
তব বরন অপরূপে নয়ন সুখে কবি
শয়ন ছোয়ায় কি আছে গো শুধুই কোমল ছবি
দেখার সুখে সব পাওয়া যায় দেহ মনের স্বাদ
ছুয়ে দিলে স্বপন গুলো হয়রে অপবাদ

মহৎ মানুষ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
চার বছরের শিশুটিও বুঝে আপন অধিকার
বেশী পেতে নিজেই শুধু বেকে বসে প্রতিবার
ভালো বললে সেই শিশুকে দারুন তবে খুশী হয়
মন্দ যদি বলে কেহ তাহার সাথে বেকে রয়

নিজের হিসাব সবে বুঝে বোকা এবং মহৎ ছাড়া-
সাদা মানুষ ; সাদা মন বহন করেন শুধু যারা
লোভ নেই লালসা নেই; নেইরে হিংসা দ্বেষ
সকল কিছুই আপন ভাবে সমাজ প্রতিবেশ
মহৎ মানুষ তারাই শুধু মহৎ অতি মন
দেশ ও দশের কল্যানে ভাবে প্রতিক্ষন


দয়া
মাহমুদুল হাসান নিজামী
দয়াহীনে তোমার ওহে কিভাবে হই সিন্ধু পার
কালো জলে বুক কাপেরে পাড়ি দেব কেমনে আর
দুর নীলিমায় চাদের দেশে মেঘের অক্টোপাস
ভয়ের চিমটি বুকের ভেতর অন্য রকম জাগে ত্রাস

কোন ইশারায় বুক কাপেরে ভয়ের শিহরন
কোন ইশারায় নদীর জল টলমল প্রতিক্ষন
মনের গতি ছটছে অতি চিরচেনা কোন ছোয়ায়
অচেনাতেও ছুটছে কভু রঙ্গিন নব ধোয়ায়
বিষন্নতায় মন কাদেরে প্রসন্নতায় হাসে
স্ম়তি গুলো ভীতি যোগায় বিয়োগ ব্যথার ত্রাসে

ভুল
মাহমুদুল হাসান নিজামী

আমার কাছে ভুল যাহা
করো কাছে শুদ্ধ
ভুলে ভুলে কাটে বেলা
ভুলটে নিয়ে যুদ্ধ

যাহা করা উচিত নহে
বিবেক যাহা মিথ্যা কহে
তাহাই হলো ভুল
রঙ তুলিতে একে কভু বানানো যায় ফুল
আসল নকল বোঝার লাগি বোধটা থাকা চাই
নহে তবে সুখের তরী পাবনাতো ঠাই

আশা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
আশা থাকা ভালো তবে
অতি আশা ক্ষতি হয়
অতি আশা হতাশা
বেদনার সঞ্চয়

বাস্তব বুঝে তবে
আশা রাখা চাই সবে
জীবনের যত যাহা হিসাবে মিল হয়
তার চেয়ে বেশী তবে আশা করা ঠিক নয়
বেহিসাবী চাওয়ায়
জীবনের বাড়ে দায়
কস্টের খেসারত জীবনের বাকে
নস্টের ফরাগত সময়ে ডাকে


ক্ষমতা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
দুর্ভাবনার আধার ঘেরা সেই সারাটা রাত
এক চিমটি হাসির তরে নামে আলোর প্রাত
তিমির ঘেরা হৃদয় লোকে নিবিড় মমতা
সামনে চলার সাহস যোগায় বাড়ায় ক্ষমতা
কে তুমি গো হেসে হেসে
নিরব ভালোবেসে
চলার তরে স্বপন আনো শক্তি সাহস রথে
তিমির ঘেরা পথে


নদী
মাহমুদুল হাসান নিজামী
পল্লী সুন্দর সুশীল মনে হৃদয় ছোয়ায় আকা
আদর করে শত নামে তবেই তাকে ডাকা
আমাদের প্রিয় নদী
কর্নফুলী মাতামুহুরী মাথাভাঙ্গা ময়ুর খুদি
বগুড়াতে করতোয়া হয়ছে তব নাম
বুড়িগঙ্গা মধুমতি তিতাস তব প্রনাম
গায়ের কোলে দোলে দোলে কত তব সাজ
বঙ্গোপসাগর হাতছানি দেয় শিয়রে মহারাজ



একটা কিছু
মাহমুদুল হাসান নিজামী
একটা কিছু দেখে ফেলি ঘুমটা ভাঙ্গার পর
একটা ইদুর সিধ কেটেছে পাশের দিদির ঘর
চুরি করে দিদির ঘরে
সকল কিছু হরন করে
দিদির বুকে রক্ত ঝরে
অধরা ঐ চোরের তরে

লাল শাড়ীটা আরো লাল স্বপ্ন ভরা রঙ্
দিদির এখন সিধুর পরার নতুন আবরন
সিধুর কেটে সেই ইদুরটে দিদির মাঝের ঘরে
একটা কিছু করে
বলতে পারেন কি করেছে কি
ছি ছি ছি


সময়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
প্রিয় সময় গুলো কখনো খুব অসময় বয়ে আনে
রজনীর যবনিকায় আধারের বাসর
শিহরিত কম্পন ব্যথিত প্রানে
বিভীষিকা ডেকে আনে বিমুর্ত প্রহর

অধরা বেদনায় বিচলিত ক্ষন
কে ডাকে দুর দেশে দুর সমীরন
নিসর্গ চাদ হাসে দুর নীলিমায়
কালো মেঘ আকাশে ভাবনা জাগায়
প্রকৃতির কালো মেঘ হৃদয়ে ছড়ায়
কালোজল টলমল বুকেতে গড়ায়



অবলা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ময়ুর অক্ষি অবলা
গহীনের সকল মালিকানা দিলেম তোমে কবলা
মৃদু হাসির জোছনা ভাসাও তিমির পৃথিবীময়
চেয়েছিলেম একক সেটি আমারী যদি হয়

সুশীল সকল জগতের লাগিয়া হৃদয় সুরা ভৈরবী
পুষ্প সুন্দর সকলের তরে উপভোগের সৌরভী
হাজারবারের আরাধনায় দিলেনা কিছুই প্রতিদান
বাকা হাতে ছুলাম বলে অবলা এখন অগ্নিবান


নারীরা কবি হলে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
নারীরা কবি হলে কবিতা
কার উপমায় হাসবে
নিসর্গ নদী তবে কোন রঙ্গে সাজবে
সুঠাম কামনায়
কবিতা ছন্দ পৌরষ খুজে
নারী কবিরা ছন্দের খদ্দর নেশায়
বিনিদ্র রাত কাটে
সময়ের অভিশাপে পতিতা প্রহর
দিকভ্রম পথিক রজনীর যবনিকায়



চাহনী
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অপরুপা সৃজনী সে অতল গহীন চাহনী
কস্ট মাখা যুগল অক্ষি কোন যাতনার দাহনী
কে আছো গো অতলপুরে স্বপন দিয়ে যাও
হৃদয় পুরে ভাবনা গুলো ছুয়ে এনে দাও
কোন তুলিতে শিল্প হলে কার বুলিতে শিল্পী
কি তারানা মেখে দিলে এক কবিরে দিলকি
নয়া ভাজে পুষ্প সাজে রোজ বিহানের বেলায়
রঙ্গের মাঝে খেলা করে হাজার ফুলের মেলায়


আকাশ ও সমুদ্র
মাহমুদুল হাসান নিজামী
আকাশ ও সমুদ্রের মাঝে কত টুকু
ব্যবধান হতে পারে?
কখনো কখনো জোছনার বাসরে
আকাশ ঘুমায় স্বচ্ছ জলাধারে
দুরত্বের দীঘল রেখায় অতল গহীনে
কতোজল সেথায় আকাশ কি জানে
অস্ট প্রহরে নস্ট ভাবনায়
সমুদ্র মেঘের দোসর হয়ে ছুটে অন্তিম ঠিকানায়



পৃথিবী
মাহমুদুল হাসান নিজামী
পৃথিবী কোনটি ? উপরে নীল আকাশ
নীচে মৃত্তিকা সাগর আর মানুষের বাস
এরি নাম পৃথিবী হলে
যেখানে সব অমানুষের বসবাস তাকে কি বলে?
কেউ বলতে পারবেন না কারন
ঐ জীবানু আপনিও স্বয়ং



বঙ্গোপোসাগর
মাহমুদুল হাসান নিজামী
আমার বঙ্গোপোসাগর তব উরুতে উর্বশী
সেন্ট মারটিন বা নিঝুম দ্বীপ অথবা ক্লান্ত মউজের
সোহাগী বাসরে বুকের মধ্যখানে জমে উঠা
এক মুঠি পলিমাটির স্তন তালপট্টি
মৃত সময় সেই অমৃত প্রহরে
তোমায় ডাকে স্বপ্নের নীল সাগর
পরীর দ্বীপে প্রিয়ার সতেজ কায়ার মত
তুমি উচ্ছলতায় জেগে আছো পতেংগা উপকুলে
উদিচী বহে আনে উদার প্রশান্তি হিমেল উচ্ছাসে
আমি তোমার কবিতা হয়ে যাই
তেতাল্লিশ বসন্ত সতেজ সবুজ শো শো
বৃক্ষ বাসরীর ছন্দ সুরে প্রতিটি প্রহরে
তব দেহের অন্য পাশে উপকিনারে




নিশ্বাস ও বিশ্বাস
মাহমুদুল হাসান নিজামী
----------------------------------
নিশ্বাস বিশ্বাস যায় যদি হারিয়ে
যত কর চেষ্টা পাবেনাতো ফিরিয়ে
বিশ্বাস মহা ধন সততাই পুজি
জীবনের সঞ্চয় কর্মতে খুজি
বিশ্বাসী মানুষে সবে করে বিশ্বাস
গুরুভার পায় সে অাস্থার পরিহাস
নিশ্বাস নাহি যার ভীতিকর লাশ সে
যত তাড়া পুতে ফেলা মাটিরি বাক্সে



তুরস্কের বীর জনতা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
তুরস্কের বীর জনতা
তোমার কাছেই সব ক্ষমতা
যা দেখালে বিশ্বকে আজ
মস্তে তব বীরের তাজ
বিশ্বনেতা এরদোগান
গাহি আজি বীরের গান
বীর জনতায় লাল সালাম
সাথে তোমায় এরদোগান
বিশ্ববাসীর লাল সালাম
শ্রদ্ধা এবং খোশ কালাম
আসসালাম আসসালাম
বিশ্ব নেতা এরদোগান


প্রভাতি ফুল
মাহমুদুল হাসান নিজামী
প্রভাতি ফুল কোমল হাসি সেই প্রভাতে
কে তুমি সাজিয়েছো পৃথিৰীর ফুলদানীতে
প্রিয়তমার কবরীতে সুন্দরের আচড়
বর্নিল সোহাগে কৰির তনু ঘর
যদি ৰা হাসতে পারো কোন মন
হেথায় এসোএকান্ত সুখ ৰাসরে প্রতিক্ষন
আধার গগনে
খর তপনে
এক ফোটা মেঘ প্রশান্ত ছায়ায় এসো
প্রভাতী ফুল হয়ে কোমল চিমটি হাসো



হাতের ছোয়া
মাহমুদুল হাসান নিজামী
হাতের ছোয়া কতো মায়া বুঝলিনারে অভিলাষ
আপন হাতকে ঘৃনা করে লোহার তৈরী চামুচে খাস
কোমল হাতে কি আছেরে বুঝলিনারে সেই মহিমা
কেমন করে ছুবিরে তুই এই হাতে তোর প্রিয়তমা
আপন কায়া আপন ছায়া ঘৃনা করে সভ্য হস
তবে কিরে নিজের হস্ত আপন দেহের বুঝবি রস?




কষ্ট
মাহমুদুল হাসান নিজামী
কষ্টকে কেহ চিনো
একটু গহীনে দেখো অভিযুক্ত নয়নো
হাজারো তিমিরে আধার চোখের খাজে
কত বিষাদ ছুয়েছে তাহায় অবলা লাজে
অনন্ত কষ্ট ঝরে নষ্ট অনুভবের ছন্দমালা
কারুময় হস্ত লেখায় কষ্টের শিল্পকলা
ইচ্ছের প্রহর গুলো কবিতা হয়ে কাদে
অভিশপ্ত বিষাদে
মান আর শান কিছুই হয়না সহায়
অনুযোগ আর অভিযোগ সবিই কবিতায়




হাসি
মাহমুদুল হাসান নিজামী
একটুখানি হাসির লাগি
হলেম তব অনুরাগী
বারে বারে ফিরে আসি তোমার কাছে প্রিয়
অনুভুতির গুলবাগে সাজিয়ে নিলেম স্বীয়
হাসি মানে প্রিয়তম অনুভবের ছায়া
হাসি মানে একটুখানি অনুরাগের মায়া
হাসি দেবে হাসি নেবে হৃদয় বিনিময় ?
হাসি দিয়ে ভাসিয়ে দিলে বিশ্ব হবে জয়
তব হাসির গালের ভাজে
হৃদয় তুলির কারুকাজে
মনোরম আলপনা
হাসি মানে অতি আপন একটুখানি কল্পনা



সুহাসিনি
মাহমুদুল হাসান নিজামী
সুহাসিনি কে হাসে
মৃদু অনুপ্রাসে দুরের দেশে
কি মধু হাসি তার পুষ্পতো জানেনা
কত মন ছুয়েছে সে তবু বুঝেনা
সুহাসিনী হেসে যায় চশমার আড়ালে
কবিতার মমতায় পুষ্পতো জড়ালে
সবুজের পল্লবে সে ফাকে ফাকে
মোহিনী মুখখানি লুকিয়ে রাখে
প্রনয়ী খোজে পায় সুরভীতে তার
অধরা প্রিয়সি ডাকে বার বার
বিরহী বিষাদে হৃদয়টা কাদে
ভৌরবী নদী জলহারা বিষাদে
কার্পাস ডাঙ্গায় আটচালা ঘরে
পুষ্পিতা নিশাতে কবিতার তরে



পাটবনে মোর প্রিয়া
মাহমুদুল হাসান নিজামী
এসো এসো দেখো প্রিয়া
বাবলা বিলের পাট বনেতে তব মম
গোপন হিয়া
স্মরন বেলার বরন ছায়া
ইচ্ছে পুরীর রুপের কায়া
হাতছানি দেয় বল্লভ পুর
অক্টোপাসের নাশের কানন
ইতিকথার মেহের পুর
তাম্র স্মৃতির আম্র কানন কোথা বিষের সুর
বল্লভ পুর বল্লভ পুর
বিষাদ বানী নিষাদ সুরে
অনুভবের গোপন প্রিয়া মেখে দিলে
কোন মধুরে


পাটবনে মোর প্রিয়া
মাহমুদুল হাসান নিজামী
এসো এসো দেখো প্রিয়া
বাবলা বিলের পাট বনেতে তব মম
গোপন হিয়া
স্মরন বেলার বরন ছায়া
ইচ্ছে পুরীর রুপের কায়া
হাতছানি দেয় বল্লভ পুর
অক্টোপাসের নাশের কানন
ইতিকথার মেহের পুর
তাম্র স্মৃতির আম্র কানন কোথা বিষের সুর
বল্লভ পুর বল্লভ পুর
বিষাদ বানী নিষাদ সুরে
অনুভবের গোপন প্রিয়া মেখে দিলে
কোন মধুরে









 



1 টি মন্তব্য:

  1. Iron oxide copper core construction. - TITanium Arts
    Iron oxide copper titanium razor core construction. titanium or ceramic flat iron Iron oxide copper titanium belly rings core construction. iron oxide copper titanium ore terraria core construction. Iron oxide copper ion chrome vs titanium core construction. Iron oxide

    উত্তরমুছুন